শুধুমাত্র সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত পেনশনভোগীরা পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করতে পারবেন। একক নামে সর্বোচ্চ ৳ 50,00,000 টাকা বিনিয়োগ করা যায়। পেনশন অর্ডার/পেনশন পেমেন্ট অর্ডার দেখিয়ে ক্রয় করতে হয়।
বর্তমানে (২০২৬) পেনশনার সঞ্চয়পত্রের সুদের হার 11.98%, যা বাংলাদেশের সব সঞ্চয়পত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ। তুলনায়: পরিবার সঞ্চয়পত্র ১১.৯৩%, ৫ বছর মেয়াদি ১১.৮৩%, ৩ মাস অন্তর ১১.৮২%। পেনশনার সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে লাভজনক।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ 5 বছর। সরল সুদে মুনাফা গণনা করা হয়। মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ মুনাফাসহ মূল টাকা ফেরত পাওয়া যায়। চাইলে পুনরায় বিনিয়োগ করা যায়।
না, পেনশনার সঞ্চয়পত্র শুধুমাত্র পেনশনভোগীদের জন্য সংরক্ষিত। সাধারণ নাগরিকদের জন্য পরিবার সঞ্চয়পত্র (১১.৯৩%), ৫ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র (১১.৮৩%) এবং ৩ মাস অন্তর মুনাফা সঞ্চয়পত্র (১১.৮২%) রয়েছে।
হ্যাঁ, তবে ১ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ভাঙানো যাবে না (মৃত্যু ব্যতীত)। আগাম নগদায়নে সুদের হার কম হবে এবং উৎসে করও প্রযোজ্য হবে।
TIN থাকলে উৎসে কর 10%, না থাকলে 15%। তাই TIN করে নেওয়া আর্থিকভাবে লাভজনক।
🏆 সবচেয়ে লাভজনক সঞ্চয়পত্র
11.98%সুদের হার — বাংলাদেশের সব সঞ্চয়পত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ। কেবল সরকারি/আধা-সরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের পেনশনভোগীরাদের জন্য।